• হোম
  •   

    A PHP Error was encountered

    Severity: Notice

    Message: Undefined variable: NewsCategory

    Filename: views/startemplate.php

    Line Number: 107

শামসুদ্দীন আহমেদ

২৪ সেপ্টেম্বর,২০১২

শিশুদের স্কুলমুখী করতে প্রায় দুই দশক আগে তৈরি হয় ‘মীনা’ কার্টুন সিরিজ। প্রতীকী এই মেয়ে চরিত্রটি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি পুরো দক্ষিণ এশিয়ার সামাজিক সংস্কারে মানুষের মানস চেতনায় বিপ্লব সৃষ্টি করে।

মীনা দক্ষিণ এশিয়ায় শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধকরণের উপকরণ হয়ে থাকেনি, পর্যায়ক্রমে তা হয়ে উঠে সামাজিক, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার অন্যতম বাহন। ২৪ সেপ্টেম্বর সোমবার মীনা চরিত্রটির ২১ বছর। নয় বছর বয়সী মীনা চরিত্রের অন্যতম রূপকার বাংলাদেশের শামসুদ্দীন আহমেদ। তিনি বিবিসি বাংলা বিভাগ-কে জানিয়েছেন মীনার ইতিহাস ও তাকে নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা-

প্রশ্ন: মীনা কার্টুনের ২১ বছর আজ সোমবার। এ বিষয়ে আপনি কিছু বলুন-

উত্তর: ১৯৯১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত পর্যন্ত ১০ বছর জাতিসংঘ দক্ষিণ এশিয়াকে ‘নারী ও শিশু’ দশক হিসেবে ঘোষণা করে। এই দশকের কমসূচির মধ্যে একটি কর্মসূচি ছিল- এই অঞ্চলের মেয়েদের স্কুলে আসার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলতে অ্যানিমেশনের মাধ্যমে একটি জনপ্রিয় একটি কার্টুন সিরিজ চালু করতে হবে।

এই প্রকল্পের পরিকল্পনা এবং অর্থায়ন করেছিল ডেনমার্ক সরকার। আর ইউনিসেফ বাংলাদেশ উদ্যোগ নিয়ে এই প্রকল্পের আওতায় ‘মীনা’ চরিত্রটি সৃষ্টি করে।

প্রশ্ন: মীনা নামটি আসলো কিভাবে?

উত্তর: নামটির পেছনে একটি সুন্দর কাহিনী রয়েছে। আমরা ঠিক করলাম- দক্ষিণ এশিয়ার সবগুলো দেশে কার্টুন সিরিজ চালু করব। এজন্য একটি কমন নাম প্রয়োজন। এরই অংশ হিসেবে ঠিক করা হলো- কার্টুন সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্র হবে একটি মেয়ে। আর মেয়েটিকে ঘিরে থাকবে তার পরিবার। পরিবারের সদস্য মা, বাবা, ভাই এবং তার একটা পোষা প্রাণি।

কার্টুন সিরিজের নামগুলো এমন হতে হবে, যেগুলো দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশেই জনপ্রিয়। নানা রকম নাম নিয়ে আলোচনা হতে হতে এক পর্যায়ে আমিই ‘মীনা’ নামটি প্রস্তাব করি। তখন সবাই বলে ওঠে- হ্যাঁ, খুব ভালো হয়। এরপর এটিই প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তাছাড়া মীনা নামটি দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশেই সমভাবে সবখানে আছে।

প্রশ্ন: মীনা কার্টুনটি এখন কতগুলো দেশে সম্প্রচার করা হচ্ছে?

উত্তর: দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশে সম্প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়া মীনার জনপ্রিয়তার ওপর ভিত্তি করে তার আদলে কেনিয়া, উগান্ডা, ইন্দোনেশিয়া, পূর্ব তিমুর এবং ফিলিপাইনে কার্টুন সিরিজ তৈরি হয়েছে, তাও বেশ জনপ্রিয়। যেমন- ‘ফারাহ’ নামে ইন্দোনেশিয়া এবং পূর্ব তিমুরে একটি কার্টুন খুবই জনপ্রিয়।

প্রশ্ন: যে পরিকল্পনায় এটি তৈরি, তা কতটা সফলতা পেয়েছে বলে মনে করেন?

উত্তর: এটি প্রথমে ১০ বছরে জন্য করা হয়েছিল। তবে এখন বলতে বেশ ভালো লাগে যে, আমরা এটি তৈরির সময় কল্পনাও করিনি যে, এতো দীর্ঘ সময় ধরে মীনা জীবিত থাকবে এবং এত বড় ভূমিকা পালন করবে, বিশেষত আমাদের দেশে।

মীনা তৈরির সময় এদেশে ৪৬/৪৭ শতাংশ ছেলে-মেয়ে স্কুলে যেত। আজকে শতভাগ ছেলে-মেয়ে স্কুলে যাচ্ছে। শুধু মীনার কারণে এটা সম্ভব হয়েছে তা আমি বলব না। তবে অবশ্যই এই কাজে মীনার অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে।

প্রশ্ন: মীনা নিয়ে আর কোনো নতুন পরিকল্পনা আছে কি?

উত্তর: হ্যাঁ, পরিকল্পনা হচ্ছে। এই বছরেই মীনার নতুন চারটি পর্ব হচ্ছে। ইতিমধ্যে তিনটির কাজ শেষ হয়ে গেছে। আরেকটি আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করছি।

রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম/বিবিসি বাংলা/এমআই_ ২১৪২ ঘ.

Acting Editor: Elias Hossain, Golam Rasul Plaza (2nd Floor), 404 Dilu Road, New Eskaton, Dhaka-1000
Phone: +880-2-8312857, Fax +880-2-8311586, News Room Mobile: +880-1674757802; Email: rtnnimage@gmail.com